old আমাদের বিষয়

ইভালিনা মুন্সী, চেয়ারম্যান

নিয়মিতভাবে অসহায়, সুবিধাবঞ্চিত নারী ও পথ-শিশুদের সাথে সময় কাটান। অন্ন, বস্ত্র ও অন্য নানারকম সহযোগীতা নিয়ে এগিয়ে আসেন। শিশুদের পরিচ্ছন্নতা, খেলাধুলা, শিক্ষা ইত্যাদির দিকে মনোযোগী এবং সহজেই তাদের সাথে মিশে যেতে পারেন। সুবিধাবঞ্চিত নারীদের সাথে নিয়মিত আলাপ আলোচনায় মিলিত হন। তাদের সুখ দুঃখের কথা এবং নানারকমের চাহিদা বা উপদেশ সহভাগীতা করেন। রাষ্ট্রবিজ্ঞান নিয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় হতে স্নাতক ও স্নাতকোত্তর পড়াশুনা শেষ করে সামাজিক কর্মকান্ডে মনোনিবেশ করেন। ব্যক্তিগত জীবনে একজন গায়িকা বা কণ্ঠশিল্পী। বর্তমানে উনার প্রায় সময় কাটে সুবিধাবঞ্চিত মানুষেদের সাহচর্যে।

দিনমণি মুন্সী, যুগ্ম সম্পাদক
সমাজসেবামূলক বহু কর্মকান্ডে সঙ্গে নিজেকে নিয়মিত সম্পৃক্ত রেখেছেন এবং অনুকরনীয় দুষ্টান্ত স্থাপন করেছেন। তিনি মাগুরা বি বি এফ চার্চের সাথে জড়িত এবং চার্চের নানা কর্মকাণ্ডে অংশগ্রহন করে থাকেন। বি বি এফের (বাংলাদেশ ব্যাপ্টিস্ট ফেলোশিপ) দ্বারা পরিচালিত সমাজ-সেবামূলক মহিলা হোস্টেলে তদারকী কাজের সাথে যুক্ত আছেন। নারী ও শিশু নির্যাতন সংক্রান্ত বিষয়ে সমাজে সচেতনামূলক কর্মকাণ্ডে তিনি একজন অগ্রগামী কর্মী। নারীদের অধিকার এবং শিশুদের মাঝে প্রকৃত শিক্ষা এবং মানসিক বিকাশ সম্পর্কীত বিষয়াশয়ে প্রতিনিয়ত কাজ করে থাকেন। দেশের অসহায়, নিরীহ এবং সুবিধাবঞ্চিত জনসাধারনের বিবিধ সমস্যা নিয়ে তিনি নানাধরনের পদক্ষেপ ইতিপূর্বে নিয়েছেন।

এ্যানি মুন্সী, নির্বাহী সদস্য
তিনি স্বনামধন্য একটি সরকারী হাসপাতালের অবসরপ্রাপ্ত সিনিয়র নার্স। চিকিৎসা ও সেবামূলক কর্মকাণ্ডের জন্য জনসাধারণকে তথ্য ও সেবা দিয়ে থাকেন। প্রসূতি সেবায় উনার বহু বছরের অভিজ্ঞতা ও জ্ঞান বহু মানুষকে সহায়তা করেছে। তিনি দরিদ্র মানুষের প্রতি সহানুভূতিশীল এবং তাঁদের সহায়তার জন্য সদা প্রস্তুত। পেশাজীবনে আর্ত-মানবতার সেবায় এগিয়ে এসেছেন এবং গরীব-দুঃখি মানুষের সাহাজ্যার্থে নিজকে উৎসর্গ করেছেন। যেকোনো মানুষের যেকোনো বিপদে, অসুস্থতায় সর্বদা সহযোগীতার হাত নিয়ে এগিয়ে এসেছেন। অসুস্থ্ রোগীকে প্রকৃত সেবা প্রদান করে এবং যথাযথ চিকিৎসক ও হাসপাতালের বিষয়ে রোগীদেরকে পরামর্শ দিয়ে সাহায্য করে থাকেন।

হ্যাপি সিনহা, নির্বাহী সদস্য
একটি সেবামূলক খ্রিষ্টীয় সংগঠনে কর্মরত আছেন। বিভিন্ন সেবামূলক প্রজেক্টে উনার সক্রিয় অংশগ্রহণ সেসব কর্মকাণ্ডকে সফল করে তুলতে সর্বদা সহায়তা করে থাকে। বাংলাদেশের সুবিধাবঞ্চিত নর, নারী ও শিশুদের জীবনমান উন্নয়ন সম্পর্কিত নানা প্রকল্পে উনি কাজ করে এসেছেন। সুপ্রতিষ্ঠিত একটি সহায়তা-মূলক প্রতিষ্ঠানের ব্যস্ত, কর্মমূখর পরিবেশে দীর্ঘদিন কাজের অভিজ্ঞতা উনাকে করে তুলেছে অভিজ্ঞ এবং বাংলা ঘরের মতো সেবামূলক প্রতিষ্ঠানের কর্মকাণ্ড পরিচালনায় দক্ষ একজন ব্যক্তি। তিনি দেশ ও সমাজের উন্নয়নে একজন সক্রিয় নারী কর্মী।

আইরিশ ওয়াদুদ, নির্বাহী সদস্য
বাংলা ঘর ফাউন্ডেশন প্রতিষ্ঠার অনেক আগে থেকেই তিনি সয়াজ সেবার কাজে নিজেকে যুক্ত রেখেছেন। প্রতিবন্ধী শিশু ও তৃতীয় লিঙ্গের মানুষদেরকে সমাজে প্রতিষ্ঠিত করার জন্য ব্যক্তিগত তহবিল থেকে স্ব-ইচ্ছায় কাজ করে এসেছেন। নারীদের অধিকার রক্ষায় নিয়মিতভাবে আন্দোলন ও সংগ্রাম করে থাকেন। ব্যক্তিগত জীবনে একজন সুপরিচিত কণ্ঠশিল্পী, সাংগঠনিক ব্যক্তিত্ব ও সমাজ সেবিকা। দুস্থ নারীদের সংগঠিত করে হস্তশিল্প নির্ভর পণ্য উৎপাদন ও বিপনন নিয়ে দীর্ঘদিন কাজ করে এসেছেন।

স্যামুয়েল ইসাহাক মুন্সী, নির্বাহী সদস্য
একটি সেবামূলক, নেতৃস্থানীয় খ্রিষ্টীয় সংস্থায় একজন সহকারী হিসাবরক্ষক হিসেবে কর্মরত আছেন। অন্যান্য সেবাধর্মী সংগঠনে নিয়মিত অর্থায়ন এবং তাদরকীর অভিজ্ঞতা উনাকে গড়ে তুলেছে সেবামূলক প্রতিষ্ঠানের পরিচালনায় দক্ষ একজন ব্যক্তি হিসাবে। উনার কর্মক্ষেত্রে শুধুমাত্র সুনিপুন হিসাবসংরক্ষণের কাজই না, বরং প্রতিষ্ঠানের নানারূপ সেবাধর্মী কর্মকাণ্ডে সর্বদা সাহায্য ও সহযোগীতার হাত নিয়ে এগিয়ে এসেছেন, সক্রিয় অংশগ্রহণ করেছেন। বন্যার্ত ও শীতার্তদের মধ্যে ত্রাণ বিতরণ, কোভিড-১৯ কালে জনগণের সচেতনতা বৃদ্ধি ও সুস্বাস্থ্য নিশ্চিতকরণ – এরূপ নানা কর্মকাণ্ডে সক্রিয় ভাবে যোগদান করে এসেছেন।

রাদ আহমদ, সাধারণ সম্পাদক
সুবিধাবঞ্চিত মানুষদের সহায়তায় ব্যক্তিগত, কিংবা প্রাতিষ্ঠানিক মাধ্যমে দীর্ঘদিন ধরে সাহায্য করে আসছেন। দেশের নানারকম প্রাকৃতিক দুর্যোগের সময় ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে থেকেছেন। খাদ্য, ঔষধ, গৃহনির্মাণ উপকরণ ইত্যাদি ক্রয়ে সহযোগীতা করে এসেছেন। সুপ্রতিষ্ঠিত অন্যান্য দাতা সংস্থার মাধ্যমে দান অনুদানের ব্যবস্থা করেছেন। বর্তমানে ডিজাইন এ্যালায়েন্স লিমিটেড – নামক একটি রপ্তানিমুখী প্রকৌশলী প্রতিষ্ঠানের ম্যানেজিং ডিরেকটর হিসাবে কর্মরত। ‘তুলট ডেটা সার্ভিসেস এন্ড পাবলিকেশনস’-এর প্রতিষ্ঠাতা, পরিচালক। শিক্ষা ও গবেষণা বিষয়ে স্নাতক, স্নাতকোত্তর লাভ করেন যথাক্রমে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ও ভিক্টোরিয়া ইউনিভার্সিটি, মেলবোর্ন, অস্ট্রেলিয়া থেকে। দেশের উত্তরবঙ্গের প্রত্যন্ত গ্রামীয় অঞ্চলে গ্রামীয় মানুষদের সহযোগীতা ও অংশগ্রহণে একটি দুগ্ধখামার ও বাউকুল (বড়ই) উৎপাদনের ব্যবসার সাথে জড়িত ছিলেন বেশ কিছু বছর।